আজ ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২রা ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

কিশোরগঞ্জ সদরে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ইউপি নির্বাচনে

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইসির ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ জেলার তিনটি উপজেলা কিশোরগঞ্জ সদর, নিকলী ও কুলিয়ারচর তৃতীয় ধাপে স্বতঃস্ফূর্ত ভোটারদের অংশগ্রহণে ইউপি নির্বাচনে মোট ২৩টি ইউনিয়নে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।

আজ রবিবার (২৮ নভেম্বর)সকাল ৮টায় ভোট শুরু হওয়ার পর থেকে বিকাল ৪টায় ভোট গ্রহণ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। সাধারণ ভোটাররা গণমাধ্যমের কাছে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে ভোট দিতে পেরে সন্তোষ ও স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।


নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে প্রতিটি কেন্দ্রেই বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নিয়োজিত থাকতে দেখা যায়।

কিশোরগঞ্জ জেলার তিনটি উপজেলার মধ্যে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন, নিকলী উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন এবং কুলিয়ারচর উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন হচ্ছে, রশিদাবাদ, লতিবাবাদ, মাইজখাপন, মহিনন্দ, যশোদল, বৌলাই, বিন্নাটি, মারিয়া, চৌদ্দশত, কর্শাকড়িয়াইল ও দানাপাটুলী।

নিকলী উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন হচ্ছে, সিংপুর, দামপাড়া, কারপাশা, নিকলী, জারইতলা, গুরুই ও ছাতিরচর।

কুলিয়ারচর উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন হচ্ছে, গোবরিয়া আব্দুল্লাপুর, উছমানপুর, ছয়সূতী, সালুয়া ও ফরিদপুর।

কিশোরগঞ্জ সদরের দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। সদর উপজেলার মারিয়া ইউনিয়নের কাতিয়ারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করেন মো. ওমর হোসেন বকুল নামে এক ইউপি সদস্য প্রার্থী। এ সময় বেশ কয়েকজন গ্রাম পুলিশ ও আনসার সদস্যকে আহত করে প্রিজাইডিং অফিসারের কক্ষে হামলা চালানো হয়। প্রিজাইডিং অফিসার মো. সেলিম রেজা ভোট বন্ধ করে কক্ষে অবস্থান নেন।

খবর পেয়ে পুলিশ কেন্দ্রটিতে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশ ও আনসার সদস্যরা মোট ১৫ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

৩০ মিনিট পর দুপুর ২টা ৫মিনিটে কেন্দ্রটিতে পুনরায় ভোট গ্রহণ শুরু করা হয়।

মানব চেতনা/এমআর

Facebook Comments Box

Comments are closed.

     More News Of This Category