আজ ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২রা ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

কিশোরগঞ্জে যত্রতত্র ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক হাসপাতালে রমরমা ব্যবসা

নিজস্ব প্রতিবেদক: কিশোরগঞ্জে বাংলাদেশের প্রথমসারির মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এবং ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল থাকার পরেও জেলা শহরের একটি রোডেই ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার ২০টির মত। গাইটাল বাস স্টেশন থেকে একরামপুর পযন্ত যেখানে দেড় থেকে দুই কিলোমিটার আনুমানিক রাস্তা হবে। এছাড়াও সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিক্যালের সামনেসহ শহরের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে আরো ১০/১২টি।

যে জেলায় বাংলাদেশের তৎকালীন সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি প্রয়াত সৈয়দ নজরুল ইসলাম, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম,বর্তমান রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের মত ব্যক্তি রাজনীতি করেছেন সেই ছোট শহরে ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক ও হাসপাতালের ছয়লাব এটা মেনে নিতে কষ্ট হয় কেটে খাওয়া ও সাধারণ মানুষের।

এনিয়ে রোগীর স্বজনদের মধ্যে নানা প্রশ্ন! সাধারণ রোগীদের আক্ষেপের কথা নিয়ে অনুসন্ধান করলে জানা যায় ডিগ্রিধারী ডক্টরের অনিয়মের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ।

সরকারি অফিস টাইমে হাসপাতালে অবস্থান না করে তাঁদের বাহিরের ক্লিনিকগুলোতে ৭’শ/৮শ টাকা ভিজিটে বিকেল ৩টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত রোগী দেখেন।

রোগীর স্বজনরা অপারগ হয়ে ক্লিনিকে রোগী দেখাতে বাধ্য হয়,যা কেটে খাওয়া ও সাধারণ মানুষের ব্যয় করাটা অসম্ভব হলেও বাধ্য হয়ে করতে হয়।

ডক্টরের প্রেসক্রিপশনের আগে রোগীকে প্রাথমিক ট্রিটমেন্ট না দিয়ে ৩/৪টি ডায়াগনস্টিক টেস্ট দিয়ে ক্লিনিক মালিকের আয়ের উৎস করে এবং কি সেখান থেকে ডক্টরের নামে থাকা কোটা নাম্বারে কমিশনও জমা হয় বলে জানা যায়। ডক্টরের সরকারি বেতন ভাতার পাশাপাশি  ভিবিন্ন মেডিসিন কোম্পানী ওষুধ প্রেসক্রিপশন করা ভাবতে অনেক কিছুই দিয়ে থাকে তারপরের তাঁদের টাকায় হয়না। সেবার নামে টাকার পাহাড় তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য বলে ধারণা করেন সুশীল মহল।

প্রতিটা ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকগণ প্রতিনিয়ত তাদের ব্যবসায় নতুন নতুন প্রোডাক্টশান বিল্ডিং করে ক্লিনিক ব্যবসা বড় করছে যাতে অদক্ষ অপ্রশিক্ষণ প্রাপ্ত  টেকনোলজিস স্টার্ফদের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।

এ ব্যাপারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কোন মাথা ব্যথা আছে বলে মনে হয়নি বলে মনে করেন সুশীল সমাজ।

মানব চেতনা/এমআর

Facebook Comments Box

Comments are closed.

     More News Of This Category